Showing posts with label পোলট্রি পালন ও চিকিৎসা. Show all posts
Showing posts with label পোলট্রি পালন ও চিকিৎসা. Show all posts

Sunday, June 5, 2022

ব্রয়লার মুরগির সর্বোচ্চ ওজন পেতে করণীয়

ব্রয়লার মুরগির সর্বোচ্চ ওজন পেতে করণীয়

 


ব্রয়লার মুরগির সর্বোচ্চ ওজন পেতে করণীয় কি কি কাজ রয়েছে সেগুলো পোলট্রি খামারিদের ভালোভাবে জেনে রাখতে হবে। অধিক লাভের আশায় অনেকেই খামারে ব্রয়লার মুরগি পালন করে থাকেন। তবে ব্রয়লার মুরগি পালনে ওজন বৃদ্ধি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আসুন আজকে জেনে নিব ব্রয়লার মুরগির সর্বোচ্চ ওজন পেতে করণীয় সম্পর্কে-

ব্রয়লার মুরগির সর্বোচ্চ ওজন পেতে করণীয়ঃ


৭ম দিনে কাঙ্খিত টার্গেট ওজনের জন্য যা করতে হবে-

  • সর্বপরি গুণগত মানসম্পন্ন বাচ্চা।
  • পরিমিত জায়গা এবং পযার্প্ত খাদ্য ও পানির পাত্র।
  • সময়মত পাত্র পরিষ্কার করে  খাদ্য ও পানি সরবরাহ করা।
  • ভাল ব্রুডিং ব্যবস্থাপনা।
  • সুষম খাদ্য ও নিরাপদ পানি।
  • বাচ্চা ব্রুডারে ছাড়ার পর ১ম ২৪ ঘন্টায় খাদ্য থলি ১০০ ভাগ ভরা।
  • ১ম দিন গ্লুকোজ / চিনি / ভিটামিন/ এন্টিবায়োটিক না খাওয়ানো।

৭ম দিনে কাঙ্খিত ওজন আসলে-

  • মাংস বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে, ফলে দ্রুত ওজন আসবে।
  • বাচ্চার পরিপাকতন্ত্র বা খাদ্যনালী পরিপূর্ণ ভাবে বৃদ্ধি পাবে, ফলে খাদ্য হজম ভালভাবে হবে।
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির অঙ্গগুলো পরিপক্ক হবে ফলে টিকা ভালভাবে কাজ করবে।
  • মৃত্যু হার কম হবে।
  • এফ.সি.আর (FCR) ভাল হবে।
  • ইউনিফরমিটি ভাল হবে।

ব্রুডারে ছাড়ার পূর্বে এবং ৭ম দিনে বাচ্চার ওজন পরিমাপ করে মূল্যায়ন করতে হবে ব্যাচ শেষে কি পরিমাণ ওজন আসবে। সর্বাধিক ওজন তথা লাভের জন্য ৭ম দিনের ওজনের দিকে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে।



ফসল, পশু-পাখি পালন, কৃষি প্রযুক্তি, শাক-সবজি, crops, দানাশস্য, পশু-পাখির রোগ, ডিজিটাল বই, মৎস্য চাষ, পশুপাখির খাদ্য, বিবিধ, অর্থকরী ফসল, বায়োফ্লক, জৈব, কৃষি, ডাল, ১২ মাসের রুটিন, গরুর জাত, তেলবীজ, ফসলের রোগ, গরু, মসলা, ছাগল পালন, ধানের রোগ, ফল, ঔষধি উদ্ভিদ, চাষ পদ্ধতি, পেঁয়াজ, ভেষজ, livestock, ছাগলের খামার, ধান, নগরকৃষি, মুরগির জাত, হাইড্রোপনিক, ওষুধি গাছ, গরু মোটাতাজাকরণ, জমিজমা, তুলা-রেশম ,দেশী জাতের গরু, প্রাণী অধিকার, ভ্যাকসিন, সাথি ফসল, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি, ছাগল, ছাগলের জাত, ছাদবাগান, বিকল্প খামার, বিদেশী ফসল ,ভূমি পরিমাপ, মোটাতাজাকরণ, লাইভস্টক, garden ,আলু, গরুর খামার, ডেইরি, দুগ্ধ খামার, ফলের বাগান, ভেড়া, মুরগি, মুরগী হাইড্রোপনিক পদ্ধতি,chicken grass, আদি জাত, আন্তঃফসল, ইউরিয়া, উন্নত জাত, এমওপি ,কাঠ, কৃমিনাশক, কৃষি ক্যালেন্ডার, কোল্ড ইনজুরি, ক্যাপসিকাম, ক্রনিক ব্লট, খরগোশ, খাঁচায় মাছ চাষ, খাটো হাইব্রিড নারিকেল, খেসারি, খড়ের পুষ্টিগুণ, গরু হিটে না আসার কারণ, গরুর খাবার, গরুর শেড, গরুর-জাত, গাভী পালন, গাড়ল, গোখাদ্য, ঘোড়া শিম, চট্টগ্রামের লাল গরু, চিংড়ি, চোখের কৃমি, ছাগল পরিবহন, জিঙ্ক, জৈব বালাইদমন, টমেটো চাষ, টিএসপি, ডিওপি, ড্যাপ, ড্রাগন ফল, তুলা চাষ পদ্ধতি, ত্বীন ফল, দলিলপত্র, ধানের খোল পচা রোগ, ধানের পাতা পোড়া রোগ, ধানের ব্লাস্ট, ধানের লক্ষ্মীর গু, নর্থ বেঙ্গল গ্রে ক্যাটল, নারিকেল, নার্সারি, নীল, পটাশ, পাউলোনিয়া, পাবনা ক্যাটল, পেট ফাঁপা ও ডায়রিয়া, ফসলের পুষ্টি ঘাটতির লক্ষণ, বাঁশ, বাদামি দাগ রোগ, বারি জ্যাক শিম-১, বালাইনাশক, বিইউ শিম ৫, বিসিএস স্কোর, বেলজিয়ান ব্লু, ব্রয়লার, ব্রয়লার মুরগি, ব্লাড প্রোটোজোয়া, ব্ল্যাক বেঙ্গল, ভেড়া পালন, মহিষ, মহিষ পালন, মাছ, মাছ চাষ, মাজরা পোকা, মাটির স্বাস্থ্য, মিরকাদিমের সাদা গরু, মুন্সীগঞ্জ জাতের গরু, মুরগির টিকা. ময়ূরের খামার, রাসায়নিক সার, রেড চিটাগাং ক্যাটল, লাউ, লিভার টনিক, লেবু, লেয়ার মুরগি পালন, শুকর পালনশেড নির্মাণ, সংকর জাতের গরু, স্টিভিয়া, স্ট্রবেরি চাষ, হাঁস পালন, হাঁস-মুরগি পালন, হাজল পদ্ধতিতে মুরগীর বাচ্চা ফুটানো

Tuesday, May 31, 2022

কীভাবে একটি সমন্বিত এগ্রো ফার্ম গড়ে তুলবেন  (ইউটিএগ্রোবিডি)

কীভাবে একটি সমন্বিত এগ্রো ফার্ম গড়ে তুলবেন (ইউটিএগ্রোবিডি)

#utagrobd #krishibd #agrofarm #cowfarm #gotfarm #ইউটিএগ্রোবিডি #ইউটিএগ্রো #এগ্রোবিডি


 খামারি উদ্যোক্তা হওয়ার আগে অবশ্যই কিছু বিষয় সম্পর্কে খুব ভালোভাবে জেনে নিতে হবে। সেগুলো হলো – কী খামার করবেন, কোন খামার সবচেয়ে বেশী লাভজনক, আপনার মূলধন ও অবকাঠামোর জন্য কোন খামার সবচেয়ে উপযোগী হবে ইত্যাদি। খামারের নানান সেক্টর রয়েছে, তার মধ্যে ডেইরি, পোল্ট্রি, ফিসারিজ ইত্যাদি সর্বাধিক জনপ্রিয়। তবে প্রকৃতপক্ষে সবচেয়ে কম বিনিয়োগে সর্বাধিক লাভজনক ফার্মিং বলতে গেলে সমন্বিত এগ্রো ফার্মিং সবার আগে আসে। সমন্বিত এগ্রো ফার্মে অল্প বিনিয়োগে অধিক পরিমাণ লাভ করা যায়। এই ধরণের ফার্মিং করলে বিনিয়োগের ১০ গুণ পর্যন্ত লাভ করা সম্ভব। তাছাড়াও সমন্বিত এগ্রো ফার্মে ঝুঁকির পরিমাণ খুব কম থাকে। সমন্বিত এগ্রো ফার্ম করার পূর্বে এই সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

সমন্বিত এগ্রো ফার্ম কী?

সমন্বিত এগ্রো ফার্ম বলতে একই জায়গায় সব রকমের ফার্মিং করাকে বোঝায়। অর্থাৎ, এমন একটি ফার্ম যেখানে গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগী, মাছ, সবজী সবকিছু পরিকল্পিতভাবে উৎপাদন করা হয়। সমন্বিত এগ্রো ফার্মে সুপরিকল্পিতভাবে সবকিছু এমনভাবে উৎপাদন করা হয় যেখানে একটি উৎপাদন অন্যটির উপর নির্ভরশীল এবং উৎপাদন ব্যয় অনেকাংশে কমে যায়। সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়, অপচয় হয়না বললেই চলে, নিয়মিত/প্রতিদিনই আয় আসে।

সমন্বিত এগ্রো ফার্মের একটি উদাহরণ:

ধরা যাক আপনার এক বিঘার একটি পুকুর আছে। আপনি সেখানে মাছ চাষ করেন। বছর শেষে এককালীন মাছ বিক্রি করে কিছু টাকা আসে। কোনো কারণে মাছ মরে গেলে বা সঠিক বৃদ্ধি না হলে সেই বছর আপনি কিছুই পাবেন না।

এবার আসি আপনি যদি পুকুরটিতে সমন্বিত খামার করেন তাহলে সেটা কেমন হবে।

আপনি পুকুরে মাছ ছাড়লেন। কিছু হাঁস পালন করলেন। হাঁসের উচ্ছিষ্ট খাবার ও বিষ্ঠা খেয়ে আপনার মাছ দিব্যি বেড়ে উঠবে। মাছের আলাদা কোনো খাবার লাগবেনা। এবার পুকুরের চারপাশে জাল টানিয়ে মাচা করে লাউ, করলা, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা লাগালেন। সেগুলো সব পুকুরের মধ্যে মাচার উপর থাকবে। এবার পাড়ের চারপাশে লাউ গাছের ফাঁকে ফাঁকে পেঁপে গাছ লাগালেন। পেঁপে গাছ উপরে উঠে গেলো। তাহলে আপনি যথাযথ যত্ন নিলে পুকুরের আকারভেদে প্রতিদিন বা একদিন বাদে একদিন প্রচুর পরিমাণে লাউ, করলা, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা বিক্রি করতে পারবেন। হাঁসের ডিম বিক্রি করতে পারবেন। লাউ, করলা, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা এসবের ফুল, পাতা, হাঁসের উচ্ছিষ্ট খাবার ও বিষ্ঠা খেয়ে মাছও অনেক বেশী গ্রোথ পাবে। বছর শেষে এককালীন বেশ বড় অঙ্কের টাকার মাছ বিক্রি করতে পারবেন। এখানে একটা খারাপ হলেও অন্যটা আপনাকে পুষিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেবে।

আরেকটু বিস্তারিত দেখে নেওয়া যাক।

ধরা যাক পুকুরের আয়তন ৩০০/২০০ ফিট। স্বাভাবিকভাবে বছরে ১ লক্ষ টাকার মাছ বিক্রি হয়।

এবার সমন্বিত ফার্মিং পদ্ধতিতে –

১০ ফিট অন্তর মোট ১০০ পিস লাউ গাছ লাগালেন।

লাউ গাছের ফাঁকে ফাঁকে একটা করে পেঁপে গাছ – ১০০ পিস পেঁপে গাছ।

১০০ পিস লাউ গাছ থেকে সপ্তাহে কমপক্ষে ১০০ পিস লাউ পাবেন যার বাজারমূল্য ৩০০০ টাকা, মাসে – ১২০০০, বছরে ১,৪০,০০০ টাকা। (এর বাইরে লাউ শাক বিক্রি তো আছেই!)

১০০ পিস পেঁপে গাছ থেকে সপ্তাহে কমপক্ষে ১০০ কেজি পেঁপে পাবেন যার বাজারমূল্য ২০০০ টাকা, মাসে – ৬০০০, বছরে ৭০,০০০ টাকা।

২০০ হাঁস পালন করলেন, প্রতিদিন অন্তত ১৬০/১৭০ টা ডিম পাবেন

বছর শেষে ১৫০,০০০ টাকার মাছ বিক্রি করলেন।

তাহলে দেখা যাচ্ছে আগে যেখানে বছরে সাকূল্যে ১ লক্ষ টাকা আয় হত সেখানে সমন্বিত এবং পরিকল্পিত ফার্মিং করে বছরে অনায়াসে ৫ লক্ষ টাকা আয় করা সম্ভব। তবে কঠোর পরিশ্রম করতে না পারলে বছরে একবার মাছ বিক্রি করেই সন্তুষ্ট থাকুন!!

সমন্বিত এগ্রো ফার্মের প্রধান বৈশিষ্টসমূহ:

জমির সর্বোত্তম ব্যবহার – সমন্বিত এগ্রো ফার্মের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট হল জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং অপচয় সম্পূর্ণ রোধ করা। একটি পরিকল্পিত এগ্রো ফার্ম এমনভাবে তৈরি করা হয় যেখানে একটি সামান্য পাতা, এমনকি কোনো প্রাণীর বিষ্ঠা/বর্জ্য-ও নষ্ট হয়না। সবকিছুই কোনো না কোনোভাবে অর্থে পরিণত হয় বা অর্থ ব্যয় রোধ করে।

ঝুঁকি কম – সমন্বিত এগ্রো ফার্মে ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে। একটিতে দূর্ঘটনা বা অন্য কোনো কারণে লোকসান হলে অন্যগুলো থেকে থেকে সেটি অনায়াসে পুষিয়ে নেওয়া যায়। একটি বা দুইটি পণ্যের বাজারমূল্য কমে গেলেও কোনো সমস্যা হয়না। কারণ সমন্বিত এগ্রো ফার্মে অনেক কিছু উৎপাদিত হয়।

স্বয়ংসম্পূর্ণতা – সমন্বিত এগ্রো ফার্ম একেবারেই স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে থাকে। এই ফার্মে পোষা প্রাণির খাবার খামারেই উৎপাদিত হয়। খামারেই উৎপাদিত হয় প্রয়োজনীয় জৈবসার। এমনকি বিদ্যুৎ, গ্যাস ও খামারেই উৎপাদনের ব্যবস্থা করা যায়। মোট কথায় সমন্বিত এগ্রো ফার্মমানেই একটি উৎপাদন চক্র।

আপনি ফার্ম করতে ইচ্ছুক? আপনি যদি ফার্ম করতে ইচ্ছুক হন, আপনার যদি ভালো উঁচু জমি, পুকুর থাকে এবং সেখানে বিনিয়োগ করতে চান তাহলে আমরা আপনাকে ফার্মের পরিকল্পনা/লে-আউট থেকে শুরু করে ফার্ম লাভজনক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া পর্যন্ত সকল প্রকার সহযোগিতা করবো। আমাদের সহযোগিতায় আপনার বিনিয়োগের ঝুঁকি একেবারেই কমে যাবে এবং লাভের সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যাবে। আপনার যদি ফার্মের প্রতি প্রবল আগ্রহ থাকে এবং আপনি কঠোর পরিশ্রমী হন তাহলে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।


...............................................................TAG...................................................................................

ফসল, পশু-পাখি পালন, কৃষি প্রযুক্তি, শাক-সবজি, crops, দানাশস্য, পশু-পাখির রোগ, ডিজিটাল বই, মৎস্য চাষ, পশুপাখির খাদ্য, বিবিধ, অর্থকরী ফসল, বায়োফ্লক, জৈব, কৃষি, ডাল, ১২ মাসের রুটিন, গরুর জাত, তেলবীজ, ফসলের রোগ, গরু, মসলা, ছাগল পালন, ধানের রোগ, ফল, ঔষধি উদ্ভিদ, চাষ পদ্ধতি, পেঁয়াজ, ভেষজ, livestock, ছাগলের খামার, ধান, নগরকৃষি, মুরগির জাত, হাইড্রোপনিক, ওষুধি গাছ, গরু মোটাতাজাকরণ, জমিজমা, তুলা-রেশম ,দেশী জাতের গরু, প্রাণী অধিকার, ভ্যাকসিন, সাথি ফসল, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি, ছাগল, ছাগলের জাত, ছাদবাগান, বিকল্প খামার, বিদেশী ফসল ,ভূমি পরিমাপ, মোটাতাজাকরণ, লাইভস্টক, garden ,আলু, গরুর খামার, ডেইরি, দুগ্ধ খামার, ফলের বাগান, ভেড়া, মুরগি, মুরগী হাইড্রোপনিক পদ্ধতি,chicken grass, আদি জাত, আন্তঃফসল, ইউরিয়া, উন্নত জাত, এমওপি ,কাঠ, কৃমিনাশক, কৃষি ক্যালেন্ডার, কোল্ড ইনজুরি, ক্যাপসিকাম, ক্রনিক ব্লট, খরগোশ, খাঁচায় মাছ চাষ, খাটো হাইব্রিড নারিকেল, খেসারি, খড়ের পুষ্টিগুণ, গরু হিটে না আসার কারণ, গরুর খাবার, গরুর শেড, গরুর-জাত, গাভী পালন, গাড়ল, গোখাদ্য, ঘোড়া শিম, চট্টগ্রামের লাল গরু, চিংড়ি, চোখের কৃমি, ছাগল পরিবহন, জিঙ্ক, জৈব বালাইদমন, টমেটো চাষ, টিএসপি, ডিওপি, ড্যাপ, ড্রাগন ফল, তুলা চাষ পদ্ধতি, ত্বীন ফল, দলিলপত্র, ধানের খোল পচা রোগ, ধানের পাতা পোড়া রোগ, ধানের ব্লাস্ট, ধানের লক্ষ্মীর গু, নর্থ বেঙ্গল গ্রে ক্যাটল, নারিকেল, নার্সারি, নীল, পটাশ, পাউলোনিয়া, পাবনা ক্যাটল, পেট ফাঁপা ও ডায়রিয়া, ফসলের পুষ্টি ঘাটতির লক্ষণ, বাঁশ, বাদামি দাগ রোগ, বারি জ্যাক শিম-১, বালাইনাশক, বিইউ শিম ৫, বিসিএস স্কোর, বেলজিয়ান ব্লু, ব্রয়লার, ব্রয়লার মুরগি, ব্লাড প্রোটোজোয়া, ব্ল্যাক বেঙ্গল, ভেড়া পালন, মহিষ, মহিষ পালন, মাছ, মাছ চাষ, মাজরা পোকা, মাটির স্বাস্থ্য, মিরকাদিমের সাদা গরু, মুন্সীগঞ্জ জাতের গরু, মুরগির টিকা. ময়ূরের খামার, রাসায়নিক সার, রেড চিটাগাং ক্যাটল, লাউ, লিভার টনিক, লেবু, লেয়ার মুরগি পালন, শুকর পালনশেড নির্মাণ, সংকর জাতের গরু, স্টিভিয়া, স্ট্রবেরি চাষ, হাঁস পালন, হাঁস-মুরগি পালন, হাজল পদ্ধতিতে মুরগীর বাচ্চা ফুটানো
#utagrobd #krishibd #agrofarm #cowfarm #gotfarm #ইউটিএগ্রোবিডি #ইউটিএগ্রো #এগ্রোবিডি
গবাদিপশু ও পোল্ট্রির এমোক্সিসিলিন গ্রুপের ঔষধ ও ব্যবহার নির্দেশিকা (ইউটিএগ্রোবিডি)

গবাদিপশু ও পোল্ট্রির এমোক্সিসিলিন গ্রুপের ঔষধ ও ব্যবহার নির্দেশিকা (ইউটিএগ্রোবিডি)

#utagrobd #krishibd #agrofarm #cowfarm #gotfarm #ইউটিএগ্রোবিডি #ইউটিএগ্রো #এগ্রোবিডি



 গবাদিপশু ও পোল্ট্রির এমোক্সিসিলিন গ্রুপের ঔষধ গবাদিপশু ও পোল্ট্রির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ এন্টিবায়টিক। এমোক্সিসিলিন একটি ব্রড স্পেকট্রাম এন্টিবায়টিক। এটি ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচির তৈরি করতে বাধা দেয়। ফলে ব্যাকটেরিয়া মারা যায়।

হাঁস-মুরগির (পোল্ট্রি) এমোক্সিসিলিন গ্রুপের ঔষধ

পোল্ট্রির বিভিন্ন সংক্রামক রোগের চিকিৎসা ও প্রতিরোধে এই গ্রুপের ঔষধ পানিতে ব্যবহার করা হয়। হাঁস মুরগির শ্বাসতন্ত্র, পরিপাকতন্ত্র, মূত্র এবং জননতন্ত্রের সংক্রমণ যেমন- ই. কলাই, সালমোনেলা, স্ট্যাফাইলোকক্কোসিস, কলিব্যাসিলোসিস, কলেরা, ইনফেকশাস করাইজা, স্ট্রেপটোকক্কোসিস, নিউমোনিয়া, মাইকোপ্লাজমোসিস এবং ভাইরাসজনিত রোগের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় পর্যায়ের ব্যকটেরিয়ার সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যবহার করা হয়।

পোল্ট্রিতে এমক্সিসিলিন গ্রুপের ঔষধসমূহ

হাঁস, মুরগি, কবুতর তথা পোল্ট্রিতে ব্যবহার্য প্রচলিতেএমোক্সিসিলিন গ্রুপের ঔষধের একটি তালিকা নিচের টেবিলের মাধ্যমে প্রকাশ করা হলো।

ঔষধের নামফর্মুলেশনবাজারজাতকারী প্রতিষঠান
এসিমক্স ভেট (Acimox vet)১০০ গ্রাম ও ৫০০ গ্রাম পাওডারএসিআই এনিমেল হেল্থ
মক্সাসিল ভেট (Moxacil vet powder)১০০ গ্রাম, ৫০০ গ্রাম পাউডারস্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালস লিঃ
মক্সিলিন ভেট ১৫% (Moxilin vet 15%)১০০ গ্রাম ও ১ কেজি পাউডারএকমি
এসকামক্স (Eskamox)১০০ গ্রাম, ৫০০ গ্রাম ও ১ কেজি পাউডারএসকেএফ
রেনামক্স ভেট (Renamox)১০০ গ্রাম ও ৫০০ গ্রামরেনাটা এনিমেল হেল্থ


গবাদিপশুর এমোক্সিসিলিন গ্রুপের ঔষধ

গবাদিপশুর ক্ষেত্রে এটি ইনজেকশন ফর্মে পাওয়া যায়।

গবাদিপশুর ঔষধের নামফর্মুলেশনবাজারজাতকারী প্রতিষঠান
এসিমক্স ভেট (Acimox Vet)ইনজেকশনএসিআই এনিমেল হেল্থ
এসিমক্স ডিএস ভেট (Acimox des Vet)””
এমকক্স ভেট (Amcox Vet)”রেনাটা লিঃ
ইনভিমক্স এলএ 9Invemox LA)”এসিআই এনিমেল হেল্থ
মক্সালিন ভেট (Moxaxil Vet)“স্কয়ার
রেনামক্স ভেট (Renamox)৫০০ মি.গ্রা. ট্যাবলেটরেনাটা লিঃ
হাইকোমক্স (Hicomox)ইনজেকশনঅপসোনিন
ফাইমক্স ভেট (Fimox vet)2.0 গ্রাম ইনজেকশনপপুলার ফাঃ
এমক্সিভেট (Amoxivet)১ গ্রাম ইনজেকশনটেকনো
এমক্সিসিল ৫০০ ভেট বোলাস (Amoxycil)৫০০ মি.গ্রা. বোলাসক্যামিস্ট
নাভামক্স ভেট (Navamox Vet)500 মি.গ্রা. বোলাসনাভানা ফাঃ

ব্যবহার নির্দেশিকা

জেনেরিক মাত্রা: ৬-১১ মি.গ্রা./কেজি দৈহিক ওজন হিসাবে ব্যবহার্য।

ঔষধের মাত্রা: প্রতিটি প্রাণিতে ১০০ কেজি ওজন এর জন্য ১ গ্রাম ইনজেকশন হলে ৬-১০ মি.লি এবং ডিএস ইনজেকশন হলে ৩-৫ মিলি মাংসপেশীতে ৩-৫ দিন প্রয়োগ করতে হয়।










...............................................................TAG...................................................................................
ফসল, পশু-পাখি পালন, কৃষি প্রযুক্তি, শাক-সবজি, crops, দানাশস্য, পশু-পাখির রোগ, ডিজিটাল বই, মৎস্য চাষ, পশুপাখির খাদ্য, বিবিধ, অর্থকরী ফসল, বায়োফ্লক, জৈব, কৃষি, ডাল, ১২ মাসের রুটিন, গরুর জাত, তেলবীজ, ফসলের রোগ, গরু, মসলা, ছাগল পালন, ধানের রোগ, ফল, ঔষধি উদ্ভিদ, চাষ পদ্ধতি, পেঁয়াজ, ভেষজ, livestock, ছাগলের খামার, ধান, নগরকৃষি, মুরগির জাত, হাইড্রোপনিক, ওষুধি গাছ, গরু মোটাতাজাকরণ, জমিজমা, তুলা-রেশম ,দেশী জাতের গরু, প্রাণী অধিকার, ভ্যাকসিন, সাথি ফসল, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি, ছাগল, ছাগলের জাত, ছাদবাগান, বিকল্প খামার, বিদেশী ফসল ,ভূমি পরিমাপ, মোটাতাজাকরণ, লাইভস্টক, garden ,আলু, গরুর খামার, ডেইরি, দুগ্ধ খামার, ফলের বাগান, ভেড়া, মুরগি, মুরগী হাইড্রোপনিক পদ্ধতি,chicken grass, আদি জাত, আন্তঃফসল, ইউরিয়া, উন্নত জাত, এমওপি ,কাঠ, কৃমিনাশক, কৃষি ক্যালেন্ডার, কোল্ড ইনজুরি, ক্যাপসিকাম, ক্রনিক ব্লট, খরগোশ, খাঁচায় মাছ চাষ, খাটো হাইব্রিড নারিকেল, খেসারি, খড়ের পুষ্টিগুণ, গরু হিটে না আসার কারণ, গরুর খাবার, গরুর শেড, গরুর-জাত, গাভী পালন, গাড়ল, গোখাদ্য, ঘোড়া শিম, চট্টগ্রামের লাল গরু, চিংড়ি, চোখের কৃমি, ছাগল পরিবহন, জিঙ্ক, জৈব বালাইদমন, টমেটো চাষ, টিএসপি, ডিওপি, ড্যাপ, ড্রাগন ফল, তুলা চাষ পদ্ধতি, ত্বীন ফল, দলিলপত্র, ধানের খোল পচা রোগ, ধানের পাতা পোড়া রোগ, ধানের ব্লাস্ট, ধানের লক্ষ্মীর গু, নর্থ বেঙ্গল গ্রে ক্যাটল, নারিকেল, নার্সারি, নীল, পটাশ, পাউলোনিয়া, পাবনা ক্যাটল, পেট ফাঁপা ও ডায়রিয়া, ফসলের পুষ্টি ঘাটতির লক্ষণ, বাঁশ, বাদামি দাগ রোগ, বারি জ্যাক শিম-১, বালাইনাশক, বিইউ শিম ৫, বিসিএস স্কোর, বেলজিয়ান ব্লু, ব্রয়লার, ব্রয়লার মুরগি, ব্লাড প্রোটোজোয়া, ব্ল্যাক বেঙ্গল, ভেড়া পালন, মহিষ, মহিষ পালন, মাছ, মাছ চাষ, মাজরা পোকা, মাটির স্বাস্থ্য, মিরকাদিমের সাদা গরু, মুন্সীগঞ্জ জাতের গরু, মুরগির টিকা. ময়ূরের খামার, রাসায়নিক সার, রেড চিটাগাং ক্যাটল, লাউ, লিভার টনিক, লেবু, লেয়ার মুরগি পালন, শুকর পালনশেড নির্মাণ, সংকর জাতের গরু, স্টিভিয়া, স্ট্রবেরি চাষ, হাঁস পালন, হাঁস-মুরগি পালন, হাজল পদ্ধতিতে মুরগীর বাচ্চা ফুটানো






মুরগির কোন ভ্যাকসিন টিকা কখন কীভাবে দিতে হয় (ইউটিএগ্রোবিডি)

মুরগির কোন ভ্যাকসিন টিকা কখন কীভাবে দিতে হয় (ইউটিএগ্রোবিডি)

 

#utagrobd #krishibd #agrofarm #cowfarm #gotfarm #ইউটিএগ্রোবিডি #ইউটিএগ্রো #এগ্রোবিডি

বাণিজ্যিকভাবে মুরগি পালনে নিয়মিত ভ্যাকসিন বা টিকা দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। অনেক স্বাস্থ্যকর ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং উন্নতমানের করলেও এমন কিছু রোগ আছে যেগুলো বলে কয়ে আসে না। আর একবার খামারে এ রোগের আক্রমণ হলে রাতারাতি আপনাকে ফকির বানিয়ে ছাড়বে। তাছাড়া পপুলেশন ডেনসিটি বেশি হলে অর্থাৎ এক জায়গায় বেশি পরিমানে পশুপাখি এমনকি মানুষ থাকলেও সেখানে রোগবালাই বেশি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আর ওইরকম পরিবেশে রোগ দ্রুত ছড়িয়েও পড়ে। একারণে রোগের আক্রমণ ও ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে একসাথে পুরো পপুলেশনকে বা পুরো খামারেই বিভিন্ন রোগের টিকা নিয়মিত দিয়ে রাখা নিরাপদ। নিচে এসব টিকার বিবরণ দেওয়া হলো:

দ্রষ্টব্য: এখানে CAV মানে chicken anemia virus বা মুরগির অ্যানিমিয়া রক্তা শূন্যতা; রিও মানে Reo virus; এমজি (MG) মানে mycoplasma; জি (G) মানে গাম্বুরো (Gumburo) এবং  এনডি (রানিক্ষেত),  আইবি (ব্রঙ্কাইটিস, bronchitis)।

লেয়ার মুরগি (বাণিজ্যিক)
দিন                     টিকা
১ম দিন                 মেরেক্স* (লাইভ ইঞ্জেকশন))
৩-৫ম দিন              আই বি +এন ডি*
৬-৮ তমদিন          এন ডি + আই বি ডি(মৃত)
১০-১২ দিন         আই বি ডি*
১৩তম দিন             মেরেক্স (লাইভ)
১৭-১৯তম দিন     আই বি ডি*
২৫-২৭তম দন       এন ডি + আইবি*
৪-৫ সপ্তাহ             পক্স (বসন্ত)
৪২-৪৫ তমদিন         করাইজা(মৃত)
৪৯-৫০দিন            টাইফয়েড  (লাইভ,কিল্ড)
৫২-৫৫তম দিন         কলেরা (মৃত)
৬০-৬৫তম দিন         আই বি + এন ডি *
৭০-৭৫তম দিন         পক্স
৭৭-৮০তম দিন         করাইজা(মৃত)
৯০-৯৫তম দিন         কলেরা (মৃত)
১০০তম দিন           টাইফয়েড
১৫-১৬ সপ্তাহ           আই বি +এন ডি +ই ডি এস(মৃত)* সাথে এন ডি লাইভ

* তারকা চিহ্নিত টিকাগুলো অবশ্যই দিতে হবে।

ব্রয়লারের জন্য
দিন                    টিকা
১-৫ দিন         আই + এন ডি
১০-১২দিন        আই বি ডি
১৭-২০দিন          আই বি ডি

*২০-২২ দিন বয়সেও এন ডি দেয়া যায়।

সোনালির জন্য
দিন               টিকা
১-৫দিন           আই বি + এন ডি
১০-১২ দিন       আই বি ডি
১৭-১৯            আই বি ডি
৪-৫ সপ্তাহে       পক্স
২৫-৩০দিন        আই বি +এন ডি বা এন ডি

লেয়ার ব্রিডার
দিন/সপ্তাহ      টিকা                      রুট
৩দিন কক্সি                              মুখে
৭দিন           আই বি +এন ডি           চোখে
১২ দিন         আই বি ডি (লাই।)        মুখে
১২ দিন আ ইবিডি +এন ডি (মৃত)      চামড়ার নিচে
১৯-২০দিন      আই বি ডি          মুখে   
১৯-২০ দিন  আই বি +এন ডি           চোখে
৬ সপ্তাহ        পক্স                পাখায়
৬ সপ্তাহ সালমোনেলা               চামড়ার নিচে
৮ সপ্তাহ        এন ডি (মৃত)            চামড়ার নিচে
৮ সপ্তাহ  আই বি + এন ডি         চোখে
১০ সপ্তাহ       এ ই+ পক্স       পাখায়
১০ সপ্তাহ  করাইজা                 চামড়ার নিচে
১৩ সপ্তাহ       আই বি           চোখে
১৩ সপ্তাহ সালমোনেলা              চামড়ার নিচে
১৪ সপ্তাহ       চিকেন এনিমিয়া          বুকের মাংসে
১৭ সপ্তাহ       করাইজা            চামড়ার নিচে
১৭ সপ্তাহ       এন ডি লাইভ           চোখে
১৭ সপ্তাহ আইবি+এনডি+ইডিএস+আইবিডি  বুকের মাংসে

ব্রয়লার  ব্রিডারের টিকা
দিন /সপ্তাহ টিকা         রুট
৩দিন           কক্সি                   মুখে
৭ দিন          আই বি + এন ডি চোখে
৭ দিন  রিও (লাইভ)          চামড়ার নিচে
১২ দিন         জি+ এনডি চামড়ার নিচে
১২ দিন আই বি ডি ২         চোখে
১৯ দিন         আই বিডি প্লাস         মুখে
১৯ দিন আই বি +এন ডি      চোখে
৬ সপ্তাহ        পক্স         পাখায়
৬ সপ্তাহ সালমোনেলা       চামড়ার নিচে
৭সপ্তাহ         রিও (লাইভ)            চামড়ার নিচে
৮ সপ্তাহ        আই বি + এন ডি   চোখে
১০ সপ্তাহ       এম জি  চামড়ার নিচে
১০ সপ্তাহ  আই বি +এন ডি        চোখে
১১ সপ্যাহ       করাইজা চামড়ার নিচে
১২ সপ্তাহ       রিও (মৃত) চামড়ার নিচে
১২ সপ্তাহ  আই বি               চোখে
১৪ সপ্তাহ       CAV বা এনিমিয়া       বুকের মাংসে
১৭ সপ্তাহ       করাইজা                চামড়ার নিচে
১৮ সপ্তাহ       রিও +আইবি+এন ডি+জি বুকের মাংসে
১৮ সপ্তাহ এম জি         চামড়ার নিচে
১৮ সপ্তাহ এন ডি (লাইভ)  চোখে
১৯ সপ্তাহ       সালমোনেলা          চামড়ার নিচে
১৯সপ্তাহ ই ডি এস         বুকের মাংসে
৪০ সপ্তাহ       রিও+আই বি+এন ডি +জি  বুকের মাংসে

এখানে,
আই বি (ব্রংকাইটিস)
এন ডি (রানিক্ষেত)
আই বি ডি (গাম্বুরো)

খাওয়ার পানির সঙ্গে টিকা দেওয়ার নিয়ম

১০০০ লেয়ার মুরগির জন্য
বয়স                পানির পরিমান
০-৪ সপ্তাহ   ১০-১৫ লিটার
৫-১০ সপ্তাহ  ১৫-২৫ লিটার
১০ সপ্তাহ।  ৫০-৫৫ লিটার
১৭ সপ্তাহের অধিক  ৬০-৭০ লি

সতর্কতা
আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে পানি কিছুটা কম বেশি হতে পারে
টিকার দেয়ার দিন, আগের দিন,এবং পরের দিন স্প্রে বা পানিতে ক্লোরিন দেয়া যাবে না
ইমারজেন্সি না হলে  পানিতে অ্যান্টিবায়টিক দেয়া ঠিক নয়

খাবার পানিতে টিকা দেওয়ার নিয়ম
১.৫-২ ঘণ্টায় কতটুকু পানি খায় তা আগের দিনে সকালে খাবার দেওয়ার  ৪৫ মিনিট পর হিসাব করতে হবে।
তবে ২ ঘণ্টায় যা খায় তার ৫% পানি বেশি দিতে
দেড় ঘণ্টার কম হলে সব মুরগি খেতে পারে না আবার ২ ঘণ্টার বেশি হলে টিকা মারা যেতে পারে
টিকা দেয়ার  ১ ঘণ্টা আগে পানি দেওয়া  বন্ধ রাখতে হবে

পানিতে টিকা মেশানোর নিয়ম
প্রথমে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে গ্লোভস পরে নিতে হবে
পানির সাথে পাউডার মানে ভ্যাকসিব্রুস্ট বা ভেক সেফ বা এগ্রোমিল্ক বা স্কিম মিল্ক ২.৫ গ্রাম ১ লিটার পানির জন্য মিশাতে হবে
৫-১০ লিটার স্টক সল্যুশন তৈরি করতে হবে এবং ২০ মিনিট রেখে দিতে হবে যাতে ক্লোরিন বা ভারী ধাতু (হেভি মেটাল) নিষ্ক্রিয় (নিউট্রালাইজ) হয়ে যায়
স্কিম মিল্ক  মিশ্রিত ১-২ লিটারের মতো স্টক সলুশনে ভ্যাকসিন ভায়ালের ক্যাপটা খুলে নিয়ে এই মিশানো পানিতে  ভ্যাকসিন ভায়ালটি ডুবিয়ে ভায়ালের মুখের রাবার খুলতে হবে
খেয়াল রাখতে হবে য যাতে টিকাটি ভালোভাবে গলে যায়
আস্তে আস্তে রাবারের কাঠি দিয়ে মিক্স করতে হবে এবং অবশিষ্ট পানি মিশাতে হবে
পানি যে নেওয়ার একবারই নিতে হবে। পরে পানি যোগ করা যাবে না
শেডের সব পাখি যাতে পানিটা সমানভাবে খেতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে
ভ্যাকসিন মেশানো পানিতে যেন সরাসরি সূর্যের আলো না পড়ে খেয়াল রাখতে হবে

আই বি ডি  টিকা মুখে আর রানিক্ষেত ও ব্রংকাইটিস টিকা চোখে দিলে ভালো কাজ করে।

সতর্কতা
ঠান্ডা সময় মানে সকাল বা বিকালে টিকা দিতে হবে। ডিম পাড়া মুরগি হলে কিল্ড (মৃত) টিকা বিকালে, আর লাইভ টিকা সকালে পানিতে দেয়া যাবে।
যে ডাইলোয়েন্ট (যেমন: পানি) দেয়া হয় সেটিও ফ্রিজে নরমালে রাখতে হবে।
গরমের সময় হাত গরম থাকে তাই টিকার বোতল বা হাত ভেজা কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে নিতে পারেন
১-২ ঘণ্টার মধ্যে টিকা দেয়া শেষ করতে হবে
যেখানে টিকা দেয়া হবে সেখানে পেপার বিছিয়ে নিতে হবে যাতে টিকা নিচে পড়লে বুঝা যায় এবং পরে ফেলে দেয়া যায়.
টিকা আস্তে আস্তে দেয়া উচিত এবং কিছু সময় ধরে রেখে তারপর ছাড়া উচিত

কিল্ড বা মৃত টিকা ব্যবহারের নিয়ম
টিকা ফ্রিজ থেকে বের করে নরমালে বা হাল্কা গরম পানিতে রাখতে হবে যাতে তাপমাত্রা ১৮-২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে আসে
ভ্যাকসিন গানটি গরম পানিতে ফুটিয়ে নিতে হবে যাতে জীবাণুমুক্ত হয়। তবে স্যাভলন এ জাতীয় কোনো জীবাণুনাশক দেওয়া যাবে না
ডিম পাড়া মুরগিকে বিকালে টিকা দিতে হবে কারণ সকালে ডিম পাড়ে
টিকা যদি বাহিরের লোক দেয় তাহলে কাপড় চেঞ্জ করা উচিত।
কিল্ড টিকা বুকের বা পায়ের মাংসে বা গলায় চামড়ার নিচে দেয়া হয় যা  শোষিত হতে  ৩০-৪৫ দিন পর্যন্ত লাগতে পারে
টিকার খালি ভায়ালটি মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে

মুরগির টিকা: ফাউল পক্স
যে এলাকায় পক্স কম হয় সেখানে ১টি টিকা দিলেই চলে.
যেখানে ঝুঁকি বেশি মানে রক্ত চোষক পোকামাকড় বেশি সেখানে ২টি টিকা দিতে হবে.
ডিম আসার কমপক্ষে ৪ সপ্তাহ আগে টিকা দেয়া শেষ করতে হবে।
৬ সপ্তাহ বয়সের আগে বেশি দুর্বল করা টিকা এবং ৬সপ্তাহ পরে কম দুর্বল করা টিকা দিতে হয়।
টিকা দেয়ার ৭-১০ দিন পর টিকা দেয়ার জায়গায় ফুলে যায় মানে টিকা কাজ করছে বুঝা যায়.

টিকা কর্মসূচি
১ম টিকা ৬ সপ্তাহ, কিন্তু বাস্তবে ৪ সপ্তাহে দেয়া উচিত কারণ ৪ সপ্তাহে ও পক্স হতে পারে।
২য় টিকা ১১-১২ সপ্তাহ
পক্স হওয়ার পরও টিকা দেয়া যায়
কিন্তু বেশি আক্রান্ত হয়ে গেলে আর লাভ হবে না

২. মেরেক্স টিকা
এম ডি সি এফ এল (ইলানকো), এইচ ভি টি(১২৬এফ সি স্টেইন), সেরুটাইপ ৩। চামড়ার নিচে দেওয়া হয়। হ্যাচারিতে ০.২ এমএল ডোজ, আবার অনেকে ১৪ দিনের আগে ২য় টিকা দেয়।  ১০০০ ডোজের জন্য ২০০ এমএল FDAH diluent মিশাতে।

মুরগির টিকা: ব্রংকাইটিস
প্রথম টিকা হিসেবে শান্ত স্ট্রেইন যেমন এইচ ১২০, ম্যাসাচুসেটস বা কানেক্টিকাট দিয়ে টিকা দিতে হবে যাতে কম প্রতিক্রিয়া হয়.
আমাদের দেশে এইচ ১২০ এবং এম ৪১ স্ট্রেইন বেশি চলে
১ম এবং দিতীয় টিকার মাঝে বিরতি হবে ২-৩ সপ্তাহ.
বুস্টার টিকার মাঝে বিরতি হবে ৪-৬ সপ্তাহ।
রানিক্ষেত এবং ব্রংকাইটিস টিকা একসাথে দেয়া যাবে না। তবে কম্বাইন্ড হলে দেয়া যাবে.
সর্বশেষ লাইভ এবং কিল্ড টিকার মাঝে বিরতি হবে ৪-৬ সপ্তাহ.
ডিম পাড়ার ৪ সপ্তাহ আগে কিল্ড টিকা দিতে হবে.
ম্যাসাচুসেটস সেরুটাইপ ক্রস প্রটেকশন করে.

স্ট্রেইন মিউটেশনের লাইভ টিকা দিলে অনেক সময় প্রতিক্রিয়া হয়। যেমন: গড়গড় শব্দ, মাথা ঝাড়া দেয়া, কনজাংটিবাইটিস এবং ই-কলাই সংক্রমণ।

ব্রংকাইটিস টিকা কর্মসূচি ১
১ম টিকা  ১-২সপ্তাহ
২য় টকা  ৪-৬সপ্তাহ
৩য় টিকা  ৮-১৪সপ্তাহ
৪র্থ টিকা  ১৫-১৮ সপ্তাহ কিল্ড

টিকা কর্মসূচি ২
১ম টিকা  ৪ সপ্তাহ
২য় টিকা  ৮-১০সপ্তাহ
৩য় টিকা  ১৪-১৮সপ্তাহ.

আমাদের দেশে প্রচলিত সিডিউল হলো
১-৫ দিন   আই বি + এন ডি
২৫-২৭দিন    আইবি + এন ডি
৬০-৬৫দিন   আইবি +এন ডি
১৪-১৭সপ্তাহ  আইবি + এন ডি + ই ডি এস(মৃত)

আই বি তে আক্রান্ত হলেও এই টিকা দেয়া যায়।

মুরগির টিকা: ফাউল কলেরা এবং ই ডি এস
অল্প বয়সের মুরগিতে সাধারনত কলেরা হয় না তাই ৮সপ্তাহের পূর্বে টিকা দেয়ার দরকার নাই.
যে এলাকায় প্রাদুর্ভাব আছে সে এলাকায় দেয়া হয়.

১. কিল্ড টিকা
দুইটা টিকাই যথেষ্ট এবং দুইটা টিকার মাঝে কমপক্ষে ৪ সপ্তাহ বিরতি থাকবে.
দিতীয়  টিকা দিতে হবে প্রডাকশন শুরুর কম পক্ষে ৪ সপ্তাহ আগে.
ডিম পাড়া অবস্থায় মুরগিকে টিকা দেয়া যায় না.

কলেরা কিল্ড টিকা কর্মসূচি
১ম টিকা  ৮-১৪সপ্তাহ
২য় টিকা  ১২-১৬ সপ্তাহ

২. লাইভ টিকা
মৃত টিকা দেয়ার পূর্বে লাইভ টিকা দেয়া ঠিক নয়. এতে মৃত টিকার কার্যকারিতা কমে যায়.
১ম টিকা ১২ সপ্তাহ আগে দিতে হয়.
লাইভ টিকা দেয়ার ৭দিন আগে এবং পরে এন্টিবায়োটিক দেয়া ঠিক নয়.
লাইভ টিকা দেয়ার ১০ দিনের মধ্যে অন্য কোন টিকা দেয়া যাবেনা.
এই টিকা দেয়ার পর অনেক সময় ক্রনিক আকারে কলেরা দেখা যায়.

কিল্ড টিকার কর্মসূচি
১ম টিকা  ৮-১০সপ্তাহ
২য়টিকা  ১৪-১৬ সপ্তাহ

ই ডি এস (এগ ড্রপ সিন্ড্রোম)
যে এলাকায় প্রাদুর্ভাব আছে সেখানে দেয়া হয়.
ডিম উৎপাদনের ৪ সপ্তাহ পূর্বে একটা কিল্ড টিকা দেয়া হয়.
অধিকাংশ ক্ষেত্রে আই বি -এন ডি -ই ডি এস, আকারে দেয়া হয়.
১৪-১৮ সপ্তাহের মধ্যে একবার দেয়া হয়.
মুরগির টিকা: রানিক্ষেত
ভ্যাকসিন স্ট্রেইন
১.প্রাইমারি এবং লেন্টোজেনিক
Y4,F strain,Ulster,VG/GA,B1B1,Hitchner,lasota
মাইকোপ্লাজমা পজিটিভ হলেও দেয়া যায়.
টাইটার তুলনামূকভাবে কম ওঠে।
.
২. সেকেন্ডারি এবং মেসোজেনিক
Roakin,kimbar,Mukteswar,H strain,komarov
মাইকোপ্লাজমা পজিটিভ হলে দেয়া ঠিক নয় কারণ তাতে রিয়াকশন হয়.
এই টিকায় ভালো টাইটার উঠে.

৩. কিল্ড বা ইনএক্টিভেটেড, লাসোটা, কিম্বার ও মুক্তেশরর
সবচেয়ে বেশি চলে কিল্ড টিকা। যেসব জায়গায় রানিক্ষেতের তীব্রতা বেশি সেসব জায়গায় দেওয়া হয়। কিল্ড টিকা তৈরিতে মেসোজেনিক স্টেইন ব্যাবহার করা হয়।

রানিক্ষেত টিকার সিডিউল

লেয়ারের জন্য
কর্মসূচি :১
১ম টিকা  ২ সপ্তায়
২য় টিকা  ৪ সপ্তায়
৩য় টিকা  ৮-১২ সপ্তায়
৪য় টিকা  ১৫-২০ সপ্তায়

কর্মসূচি :২
১ম টিকা  ৪ সপ্তায় লাইভ
২য় টিকা  ১০সপ্তায় লাইভ
৩ থ টিকা  ১৬-১৭ সপ্তায় কিল্ড
৫ম টিকা  ৪০-৪৫ সপ্তায় কিল্ড

কর্মসূচি ৩
১ম টিকা  ১-২সপ্তায়
২য় টিকা  ৬ সপ্তায় লাইভ
৩য় টিকা  ১১ সপ্তায়
৪থ টিকা  ১৫-১৮সপ্তায় কিল্ড

কর্মসূচি ৪
১ ম    ৬ সপ্তাহ
২ য়   ১০-১২ সপ্তাহ
৩ য়   ১৫-১৮ সপ্তাহ কিল্ড
৪ থ   ৪০-৪৬ সপ্তাহ কিল্ড

বাংলাদেশে প্রচলিত শিডিউল
১-৫ দিন   আই বি + এন ডি
৫-১০ দিন   এন ডি + আই বিডি কিল্ড
২৫-২৮দিন   আই বি + এন ডি
৬০-৬৫ দিন  এন ডি
১৪-১৮ সপ্তাহ   আই বি + এন ডি+ ই ডি এস কিল্ড সাথে এন ডি লাইভ.

কিল্ড টিকা দেয়ার ৪ সপ্তাহ আগে লাইভ দেয়া থাকা উচিত.
ডিম পাড়া মুরগিকে টিকা দেয়ার ৭-১০ দিন পর টাইটার উঠে (লাইভ টিকার ক্ষেত্রে.)
কিল্ড টিকার ক্ষেত্রে ২০-২৫ দিন লাগে.

মুরগির টিকা: গাম্বুরো
এ রোগের টিকার নির্দিষ্ট কোনো তালিকা হয় না
এটা নির্ভর করে ফ্লকের অবস্থা,স্থানীয় রোগের প্রাদুর্ভাব এবং আবহায়াওয়ার উপর.

প্রধানত তিন ধরনের টিকা
১.ইন্টারমেডিয়েট (বারসাইন ২,গাম্বোরু ২)
২.ইন্টারমেডিয়েট প্লাস (বারসাইন প্লাস)
৩.হট (২২৮ই,আইবিডি ব্লেন)

গাম্বুরো টিকার টাইটার উঠতে সময় লাগে ৪-৫ দিন।

বাচ্চার এন্টিবডি ব্যালেন্স ভালো হলে অর্থাৎ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকলে ১৭ দিনে ১টি টিকাই যথেষ্ট। আর যদি দুর্বল হয় তাহলে ১ম টিকা ১১তম এবং  ২য় টিকা১৫তম দিনে দিলে ভালো।

রোগের সম্ভাবনা বেশি থাকলে
ব্রয়লারে ১ম টিকা , ৮তম দিনে, তা নাহলে ১ম টিকা ১৮তম দিনে; লেয়ারের ক্ষেত্রে  ১ম টিকা ১৫তম দিনে এবং ব্রয়লারের ক্ষেত্রে  ১১তম দিনে টিকা শুরু করতে হয়।
কারণ লেয়ারের এন্টিবডির হাফ লাইফ ৬-৭দিন, ব্রয়লারের ৩-৪দিন।

হট টিকা
যেসব জায়গায় অতিতীব্র গাম্বোরু ভাইরাস সেসব জায়গায় ব্যবহার করা হয়। ব্রিডারে তিনটা লাইভ এবং ১-৩ টি কিল্ড (মৃত) টিকা দেয়া হয়। সেসব ব্রিডার ফার্মে গাম্বোরু টিকা ভালভাবে দেয় সেসব ফার্মের বাচ্চায় গাম্বোরু কম হয়।

টিকা কর্মসূচি
ব্রয়লার
১০-১৩দিন আইবি ডি বা আই বি ডি প্লাস
১৭-২০ আই বি ডি বা আই বি ডি প্লাস।

লেয়ারের জন্য
৩-৭দিন  আই বি ডি + এন ডি( কিল্ড)
১০-১৩দিন  আই বি ডি
১৮-২১ আই বি ডি বা আই বি ডি প্লাস





...............................................................TAG...................................................................................
ফসল, পশু-পাখি পালন, কৃষি প্রযুক্তি, শাক-সবজি, crops, দানাশস্য, পশু-পাখির রোগ, ডিজিটাল বই, মৎস্য চাষ, পশুপাখির খাদ্য, বিবিধ, অর্থকরী ফসল, বায়োফ্লক, জৈব, কৃষি, ডাল, ১২ মাসের রুটিন, গরুর জাত, তেলবীজ, ফসলের রোগ, গরু, মসলা, ছাগল পালন, ধানের রোগ, ফল, ঔষধি উদ্ভিদ, চাষ পদ্ধতি, পেঁয়াজ, ভেষজ, livestock, ছাগলের খামার, ধান, নগরকৃষি, মুরগির জাত, হাইড্রোপনিক, ওষুধি গাছ, গরু মোটাতাজাকরণ, জমিজমা, তুলা-রেশম ,দেশী জাতের গরু, প্রাণী অধিকার, ভ্যাকসিন, সাথি ফসল, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি, ছাগল, ছাগলের জাত, ছাদবাগান, বিকল্প খামার, বিদেশী ফসল ,ভূমি পরিমাপ, মোটাতাজাকরণ, লাইভস্টক, garden ,আলু, গরুর খামার, ডেইরি, দুগ্ধ খামার, ফলের বাগান, ভেড়া, মুরগি, মুরগী হাইড্রোপনিক পদ্ধতি,chicken grass, আদি জাত, আন্তঃফসল, ইউরিয়া, উন্নত জাত, এমওপি ,কাঠ, কৃমিনাশক, কৃষি ক্যালেন্ডার, কোল্ড ইনজুরি, ক্যাপসিকাম, ক্রনিক ব্লট, খরগোশ, খাঁচায় মাছ চাষ, খাটো হাইব্রিড নারিকেল, খেসারি, খড়ের পুষ্টিগুণ, গরু হিটে না আসার কারণ, গরুর খাবার, গরুর শেড, গরুর-জাত, গাভী পালন, গাড়ল, গোখাদ্য, ঘোড়া শিম, চট্টগ্রামের লাল গরু, চিংড়ি, চোখের কৃমি, ছাগল পরিবহন, জিঙ্ক, জৈব বালাইদমন, টমেটো চাষ, টিএসপি, ডিওপি, ড্যাপ, ড্রাগন ফল, তুলা চাষ পদ্ধতি, ত্বীন ফল, দলিলপত্র, ধানের খোল পচা রোগ, ধানের পাতা পোড়া রোগ, ধানের ব্লাস্ট, ধানের লক্ষ্মীর গু, নর্থ বেঙ্গল গ্রে ক্যাটল, নারিকেল, নার্সারি, নীল, পটাশ, পাউলোনিয়া, পাবনা ক্যাটল, পেট ফাঁপা ও ডায়রিয়া, ফসলের পুষ্টি ঘাটতির লক্ষণ, বাঁশ, বাদামি দাগ রোগ, বারি জ্যাক শিম-১, বালাইনাশক, বিইউ শিম ৫, বিসিএস স্কোর, বেলজিয়ান ব্লু, ব্রয়লার, ব্রয়লার মুরগি, ব্লাড প্রোটোজোয়া, ব্ল্যাক বেঙ্গল, ভেড়া পালন, মহিষ, মহিষ পালন, মাছ, মাছ চাষ, মাজরা পোকা, মাটির স্বাস্থ্য, মিরকাদিমের সাদা গরু, মুন্সীগঞ্জ জাতের গরু, মুরগির টিকা. ময়ূরের খামার, রাসায়নিক সার, রেড চিটাগাং ক্যাটল, লাউ, লিভার টনিক, লেবু, লেয়ার মুরগি পালন, শুকর পালনশেড নির্মাণ, সংকর জাতের গরু, স্টিভিয়া, স্ট্রবেরি চাষ, হাঁস পালন, হাঁস-মুরগি পালন, হাজল পদ্ধতিতে মুরগীর বাচ্চা ফুটানো